Templates by BIGtheme NET
১২ জুন, ২০১৯ ইং, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৭ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

ফখরুলকে ধুয়ে দিলেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা

প্রকাশের সময়: জুন ১১, ২০১৯, ১:২৮ অপরাহ্ণ

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নানা ইস্যুতে জোটের ভেতরে তৈরি হওয়া দূরত্ব, মান অভিমান এবং টানাপোড়েন দূর করে নতুন করে পথ চলার লক্ষ্য নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ১০ জুন রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসায় এ বৈঠকে আয়োজন করা হয়।

জানা যায়, বৈঠকের শুরুতেই নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জোটের কর্মকাণ্ড এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নানান অসঙ্গতী তুলে ধরেন আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেন, অনেক ভুল-ত্রুটি আছে। এই ভুল-ত্রুটি শুধরে এক সঙ্গে পথ চলতে হবে। এ সময় ফ্রন্টের অন্য নেতারা অভিযোগের তীর তোলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের দিকে।

বৈঠকে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নেয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, শপথ নেয়া না নেয়া নিয়ে এত নাটকীয়তার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। এতে ফ্রন্টের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। আটজন জয়ী হল। শপথ নিল সাতজন। মির্জা ফখরুল ইসলাম কেন শপথ নিলেন না। তিনি হয়তো বলবেন দলের সিদ্ধান্তে শপথ নেননি। মানুষতো আর তা বুঝবে না। বুঝতে চাইবে না।

এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বিএনপির মহাসচিবের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একেক সময় একেক কথা আর একেক রকম সিদ্ধান্ত নিলে মানুষের কাছে মুখ দেখানো যায় না। রাজনীতি করতে হলে অবস্থান স্পষ্ট থাকতে হবে। বিএনপিকে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। আমি সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাই। অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রাজনীতি করা যায় না।

বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমাদের মধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি আছে। নির্বাচনের পর বসা উচিত ছিল। তবে বৃহত্তর স্বার্থেই আমরা শপথ নিয়েছি। আর দলের সিদ্ধান্তেই আমি শপথ নেইনি। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তবে বিকল্প কী ছিল আমাদের হাতে? আমাদের কিছুই করার থাকত না বলে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন ফখরুল।

এদিকে সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রথমে গণফোরামের দুজন এমপি শপথ নেওয়ায় এর কড়া সমালোচনা করেন বৈঠকে উপস্থিত থাকা বিএনপি নেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

10 + seventeen =