Templates by BIGtheme NET
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১২ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

স্বর্ণ আমদানিতে কমেছে শুল্ক, খুশি জুয়েলারী ব্যবসায়ীরা

প্রকাশের সময়: জুন ১৩, ২০১৯, ৮:১৭ অপরাহ্ণ

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে স্বর্ণ আমদানি শুল্কহার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে এক হাজার টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রস্তাব পাস হলে স্বর্ণ আমদানির খরচ কমবে। এতে স্বর্ণ আমদানী কারকরা লাভবান হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর ফলে অবৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি অনেকটাই কমে যাবে।

চলতি অর্থবছর প্রতি ভরি স্বর্ণ আমদানি করতে তিন হাজার টাকা লাগতো। এখন এক হাজার টাকা কমিয়ে দুই হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বিদ্যমান অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। ১৩ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক কমায় খুশি প্রকাশ করে শাহ আলম পোদ্দার নামে একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী বলেন, শুল্ক কমানোর কারণে স্বর্ণ আমদানিতে আমাদের ব্যয় কমবে। এতে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি লাভবান হবো।

দ্রুব কুণ্ড নামের অন্য একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী বলেন, স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক বেশি থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা লাভবান কম হতো। এই কারণে লাভের অংশ বাড়ানোর জন্য অনেকেই স্বর্ণের সাথে বিভিন্ন ধাতু ব্যবহার করতো। এখন এই প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে।

গত কয়েক বছর থেকেই দেশের বিমানবন্দরগুলোতে ব্যাপক হারে অবৈধ স্বর্ণ ধরা খাচ্ছে। এর প্রতিকারের জন্য সরকার অনেক চেষ্টা করেও কমাতে পারেনি। তবে স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক কমায় অবৈধ স্বর্ণ আমদানি কমে যাবে বলে মনে করেন নেমাই দেব নাথ একজন জুয়েলারি ব্যবসায়ী।

এদিকে স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক কমায় উচ্ছাস প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তারা বলছেন, বিদেশ থেকে যাওয়ার সময় অনেকেই স্বর্ণ নিয়ে যাওয়ার চিন্তা করে। কিন্তু কাস্টমসে খরচ বেশি হওয়ায় তা করতে পারে না। শুল্ক কমায় তাই তারা খুশি।

বর্তমানে একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম স্বর্ণের গয়না বিনা শুল্কে আনতে পারেন। এ ছাড়া শুল্ক দিয়ে সর্বোচ্চ ২৩৪ গ্রাম বা ২০ ভরি ওজনের স্বর্ণের বার আনতে পারেন। এই শর্ত অপরিবর্তিত রেখে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 + one =