Templates by BIGtheme NET
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১২ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

নজরদারি বাড়াতে বন্দরগুলোতে বসছে ২০০টি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেশিন

প্রকাশের সময়: জুলাই ৪, ২০১৯, ২:৫৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বন্দরগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসারে অন্যতম ভূমিকা পালন করছে এই বন্দরগুলো। বর্তমান সরকার প্রবৃদ্ধি অর্জনের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বন্দর সুবিধা তেমন বাড়েনি।

বন্দরগুলোতে নজরদারির অভাবে অনেক সময় শুল্ক ফাঁকিসহ বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটে থাকে। সম্প্রতি দেশের একাধিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অস্ত্র ও গুলিসহ অনুপ্রবেশ, ইয়াবাসহ মাদক চালান, সমুদ্রবন্দরে মাদক ও ঘোষণার অধিক পণ্য এবং মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানিসহ নানা কায়দায় বিপুল শুল্ক ফাঁকির চেষ্টায় নিকট ও দূর অতীতের আলোচিত ঘটনাগুলো সুখকর নয়।

তবে আশার কথা হচ্ছে, এসব ঝুঁকির কথা চিন্তা করে দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সমুদ্র ও নৌবন্দর, আইসিডি এবং শুল্ক স্টেশনে নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জানা গেছে, দেশের সবকটি শুল্ক স্টেশন, আইসিডি, নৌ, বিমান ও সমুদ্রবন্দরে স্থাপন করা হবে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। ২০০-এর অধিক নানা ধরনের যন্ত্রপাতি সংযুক্ত হবে।

মডার্ন বডি স্ক্যানিং থেকে শুরু করে লাগেজ-ব্যাগেজ কনটেইনার স্ক্যানিং, নারকোটিকস ডিটেকশন ও লিকুইড ইন্সপেকশন পর্যন্ত সবই করা হবে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে। যার ফলে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ইনল্যান্ড ডিপো পর্যন্ত প্রবেশ ও বহির্গমন পথের কোথাও আর দৃষ্টি এড়ানোর সুযোগ থাকবে না।

এই লক্ষ্যে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব দিচ্ছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে কাস্টমস কমিশনার-আপিল (ঢাকা-২) কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘নন ইনট্রুসিভ ইন্সপেকশন (এনআইআই)’ মেশিন স্থাপন প্রকল্প নামে এই প্রকল্পের আওতায় সবকটি বন্দর ও শুল্ক স্টেশন হবে আরও অধিক নিচ্ছিদ্র নিরাপদ। মালামাল পরিবহনের সব অনিয়মও দূর হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

এদিকে, সরকারি সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩টি সমুদ্রবন্দর, ১টি নৌবন্দর, ১টি আইসিডি, ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৩৬টি শুল্ক স্টেশন রয়েছে। এর সবগুলোতেই অর্থাৎ ৪৪টি পয়েন্টের সবকটি পর্যায়েই স্থাপন হবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই নিরাপত্তাব্যবস্থা। অত্যাধুনিক বডি স্ক্যানার থেকে শুরু করে কন্টেইনার স্ক্যানার, এমনকি লিকুইড ও নারকোটিকস ডিটেক্টরসহ সব ধরনের নিরাপত্তা ও যাচাই সরঞ্জাম সংযুক্ত হচ্ছে এই কাস্টমস সিকিউরিটি প্রকল্পটির আওতায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nineteen + 7 =