Templates by BIGtheme NET
৫ জুলাই, ২০১৯ ইং, ২১ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

কোমল পানীয় আর সিগারেটের প্রতিদ্বন্দি হয়ে আসছে বৈধ গাঁজা

প্রকাশের সময়: জুলাই ৫, ২০১৯, ১০:৫০ অপরাহ্ণ

নেশাখোরদের জগতে গাঁজা বেশ প্রচলিত হলেও আমাদের সমাজে গাঁজা শুধু অচ্ছুতই নয়, বেআইনিও। তবে এই গাঁজাকেই বৈধতা দিয়ে সমাজে বাজারজাতের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বিশ্বের বহুজাতিক ওষুধ, পানীয় ও টোব্যাকো কোম্পানীগুলো। কারণ বর্তমান বিশ্বে গাঁজার ব্যবসা বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

গাঁজা এক ধরনের উদ্ভিদ, যাতে মন ও মেজাজকে প্রভাবিত করার মতো টেট্রাহাইড্রোকানাবিনল (টিএইচসি) বা এক ধরনের নির্যাস ও কানাবিডিওল (সিবিডি) রয়েছে। চিকিৎসায় সিবিডি কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন।

জানা গেছে, নতুন প্রজন্মের পণ্য হিসেবে বৈদ্যুতিক সিগারেট, নানা স্বাদের কফি ও গাঁজার নির্যাসসম্পন্ন পানীয় জনপ্রিয় হওয়ায় মূল ধারার কোমলপানীয় ও টোব্যাকো কোম্পানির বর্তমান ব্যবসাগুলো সম্প্রতি খানিকটা চাপের মধ্যে রয়েছে।

তারা ইতিমধ্যে গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন, গাঁজার সংশোধিত উপকরণ কোমল পানীয়, ওষুধ এমনকি রুপচর্চার কাজেও ব্যবহার হতে পারে। মার্কেটিং কোম্পানীগুলোও ভোক্তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করেছেন তাদের চাহিদা পরিবর্তনে।

বর্তমানে ফিলিপ মরিস সিগারেটসের মালিকানাধীন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ টোব্যাকো কোম্পানি এল্টরিয়া ও কোরোনা বিয়ারের মালিকানাধীন কনস্টেলেশন ব্র্যান্ডস বৈধ গাঁজাজাত পণ্যে বিশাল অর্থ বিনিয়োগ করেছে। নন-অ্যালকোহলিক পানীয় কোম্পানি, স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা-বিষয়ক পণ্য তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ও সিগারেট উৎপাদনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন গাঁজা নিয়ে মাঠে নামার চেষ্টা করছে।

গাঁজাজাত পণ্য বাজারজাত বৈধ হলে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিম ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে বিশাল বাজার তৈরি হবে। আর এর প্রভাবে বাংলাদেশের কোমল পানীয়, কসমেটিক্সএর দোকান অথবা স্বাস্থ্যপণ্য হিসেবে ফার্মেসিতেও একসময় গাঁজা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

thirteen − nine =