Templates by BIGtheme NET
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে রফতানি আয়ে রেকর্ড: সন্তোষ অর্থনীতিবিদরা

প্রকাশের সময়: জুলাই ৯, ২০১৯, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদ: নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি রফতানি হওয়ায় বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা সন্তোষ প্রকাশ করছেন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) পণ্য রফতানি করে ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। রফতানির এ আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি।

সোমবার (৮ জুলাই) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

রফতানিকারকরা বলছেন, রফতানি আয়ে সুখবর নিয়েই অর্থবছর শুরু হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এর মূল কারণ দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক রফতানিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি। এছাড়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে অন্যান্য খাতেরও আয় ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। ফলে রফতানিতে বড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে, লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে গেছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রফতানি করে আয় করেছে ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলার। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর দেশের পোশাক খাতের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে এখন সবাই সচেতন। বিদেশি ক্রেতাদেরও আমাদের পোশাকের ওপর আস্থা বেড়েছে। যে কারণে এ খাতে রফতানি আয় বাড়ছে।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতি যে এগিয়ে যাচ্ছে তার জ্বলন্ত প্রমাণ হচ্ছে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে রফতানি বেশি হওয়া। এটা সম্ভব হয়েছে কেবল দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ার ফলে। এই সংবাদ দেশের যে কোনো অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত সুসংবাদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ আহমেদ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে তা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। বিশ্বের যে কোনো দেশে একটা সরকার যদি কয়েকটার্ম ক্ষমতায় থাকে তবে সেদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হবেই। আমাদের দেশের অর্থনীতি বা সামগ্রিক উন্নয়ন হয়েছে অবিশ্বাস্যভাবে যা অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের রফতানিতে সাফল্যর পেছনে কাজ করেছে, দক্ষ নেতৃত্ব, সুশাসন, স্থিতিশীল সরকার ও শান্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বলিষ্ঠ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতিমালা ও সঠিকভাবে উন্নয়ন অগ্রাধিকার দেওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

4 × three =