Templates by BIGtheme NET
৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ বক্স খোলার পরামর্শ হাইকোর্টের

প্রকাশের সময়: জুলাই ১০, ২০১৯, ৮:০৫ অপরাহ্ণ

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ বক্স স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এ পরামর্শ দেয়া হয়। অভিযোগ বক্স খোলার দায়িত্ব শিক্ষকদের না দিয়ে পরিচালনা কমিটিকে দেয়ার বিষয়ও বিবেচনা করতে বলেছে আদালত।

১০জুলাই বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। অন্যদিকে অরিত্রী অধিকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক।

আদালত জানিয়েছে, প্রতিটি স্কুলে শিশুদের নির্যাতনের অভিযোগ জানাতে একটি অভিযোগ বক্স খোলার বিষয়টি নীতিমালায় রাখুন। অভিযোগ বক্স থাকলে সেখানে শিশুরা অভিযোগগুলো নির্ভয়ে তুলে ধরতে পারবে। কারণ শিশুরা নির্যাতিত হলেও মা-বাবা অথবা স্কুলের শিক্ষক, কারো কাছেই অভিযোগের কথা বলতে পারে না।

শুনানিতে আদালত ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্দেশে বলেন, এই অভিযোগ বক্সের বিষয়টি প্রচার করতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়কে এই মামলায় বিবাদী করা যায় কিনা দেখুন। একই সঙ্গে বুলিং (নির্যাতন) প্রতিরোধে যে কমিটি থাকবে সে কমিটির প্রধান যদি স্কুল প্রধান হন এবং তার বিরুদ্ধেই যদি নির্যাতনের অভিযোগ আসে তাহলে কমিটি তদন্ত করবে কিভাবে? জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের কোন কর্মকর্তাকে ওই কমিটিতে যুক্ত করা যায় কিনা সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ নিন।

এরপর অরিত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় বুলিং নিরোধ কমিটির অগগ্রতি প্রতিবেদন আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার প্রকাশিত খবর সুপ্রিমকোর্টের চার আইনজীবী আদালতের নজরে আনার পর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই নির্দেশ দেন।

তখন শিশু নির্যাতন (বুলিং) ঘটনা প্রতিরোধে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নে অতিরিক্ত শিক্ষা সচিবের নেতৃত্বে একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে আদালত। এক মাসের মধ্যে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নে ও অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধানের প্রতিবেদনের পাশাপাশি রুল জারি করে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের উপায় নির্ণয় করে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

9 − 1 =