Templates by BIGtheme NET
২১ আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৬ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

ঈদুল আজহার ইতিহাস

প্রকাশের সময়: আগস্ট ১০, ২০১৯, ১:৪০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদ: ঈদুল আজহা অর্থ কোরবানির ঈদ। একে বড় ঈদ এবং বকরি ঈদও বলা হয়। হিজরি বর্ষের ১২তম মাসের ১০ তারিখে এই ঈদ অনুষ্ঠিত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি করুন’ (১০৮: ২)। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের ধারেকাছেও না আসে।’ (ইবনে মাজাহ)।

মহান আল্লাহ তা’আলা ইসলামের রাসুল হযরত ইব্রাহীম (আঃ)কে স্বপ্নযোগে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তুটি কুরবানি করার নির্দেশ দেনঃ “তুমি তোমার প্রিয় বস্তু আল্লাহর নামে কোরবানি কর”। ইব্রাহীম স্বপ্নে এ আদেশ পেয়ে ১০টি উট কোরবানি করলেন। পুনরায় তিনি আবারো একই স্বপ্ন দেখলেন। অতঃপর ইব্রাহীম এবার ১০০টি উট কোরবানি করেন। এরপরেও তিনি একই স্বপ্ন দেখে ভাবলেন, আমার কাছে তো এ মুহূর্তে প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আ.) ছাড়া আর কোনো প্রিয় বস্তু নেই। তখন তিনি পুত্রকে কোরবানির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতিসহ আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

এ সময় শয়তান আল্লাহর আদেশ পালন করা থেকে বিরত করার জন্য ইব্রাহীম (আঃ) ও তার পরিবারকে প্রলুব্ধ করেছিল, এবং ইব্রাহীম (আঃ) শয়তানকে পাথর ছুঁড়ে মেরেছিলেন। শয়তানকে তার প্রত্যাখ্যানের কথা স্মরণে হজের সময় শয়তানের অবস্থানের চিহ্ন স্বরূপ নির্মিত ৩টি স্তম্ভে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করা হয়।

ইসলামের ইতিহাসে পাওয়া যায়, যখন ইব্রাহীম (আঃ) আরাফাত পর্বতের উপর তাঁর পুত্রকে কোরবানি দেয়ার জন্য গলদেশে ছুরি চালানোর চেষ্টা করেন, তখন তিনি বিস্মিত হয়ে দেখেন যে তাঁর পুত্রের পরিবর্তে একটি প্রাণী কোরবানি হয়েছে এবং তাঁর পুত্রের কোন ক্ষতি হয়নি। ইব্রাহীম (আঃ) আল্লাহ’র আদেশ পালন করার দ্বারা কঠিন পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হন। এতে সন্তুষ্ট হয়ে মহান আল্লাহ ইব্রাহীম (আঃ)কে তার খলিল (বন্ধু) হিসাবে গ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

five − one =