Templates by BIGtheme NET
২১ আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৬ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

স্থায়ী কমিটি সম্প্রসারণে বিএনপি, নতুন করে যুক্ত হবেন কারা?

প্রকাশের সময়: আগস্ট ১০, ২০১৯, ২:০৫ অপরাহ্ণ

বিএনপির দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় নির্বাহী কমিটির তিন বছরের মেয়াদ ১৯ মার্চ শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে এবার কাউন্সিল করার পরিকল্পনা থাকলেও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ায় সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। খালেদা জিয়া শিগগিরই মুক্তি পাবেন এমন আশায় ডিসেম্বরে কাউন্সিল করতে চাইছে বিএনপি। সে হিসেবে স্থায়ী কমিটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে দলটিতে। কে আসছেন নতুন স্থায়ী কমিটিতে?

সূত্র জানায়, ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে পাঁচটি পদে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার কাউন্সিলের পর দলের স্থায়ী কমিটিতে দুটি পদ খালি রাখা হয়। এরই মধ্যে কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ব্রি. জে. (অব.) আ স ম হান্নান শাহ ও এমকে আনোয়ার মারা গেছেন। ফলে পাঁচটি পদ শূন্য হয়। সম্প্রতি স্থায়ী কমিটিতে সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরও তিনটি পদ ফাঁকা রয়েছে।

এদিকে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান দলীয় কর্মকাণ্ডে অনুপস্থিত। প্রবীণ নেতা ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারও শারীরিকভাবে ততটা ফিট নন। অসুস্থতার কারণে এই তিনজনের মধ্যে দুজনের বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসেবে এবার অন্তত পাঁচটি পদে নতুন মুখ দেখা যাবে।

যারা দলের দু:সময়ে নিজেদের সামনে রেখেছেন এমন মধ্যসারির ও তরুণ নেতারা ইতোমধ্যেই স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে লবিং শুরু করেছেন। পাশাপাশি সিনিয়র নেতারা যার যার মতো করে সক্রিয় রয়েছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন থেকে স্থায়ী কমিটিতে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়েদার রহমানকে অন্তর্ভূক্তির দাবি থাকলেও এ বিষয়ে জিয়া পরিবার কিংবা বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কোনো নেতা কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তাই তাকে এবার স্থায়ী কমিটিতে আনার সম্ভবনা কম।

আলোচনায় রয়েছেন জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ও আবদুল আউয়াল মিন্টু। এছাড়া প্রবীন নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জম হোসেন আলাল ও জিয়া পরিবারের আরেক বিশ্বস্ত দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান। এদের প্রত্যেকেই দলের দুর্দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

এদিকে, বেগম জিয়ার মামলার অন্যতম আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনকে স্থায়ী কমিটিতে আনার পক্ষে সিনিয়র নেতাদের অনেকেই। এছাড়া সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সহসভাপতি ও দলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনও রয়েছেন আলোচনায়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নেতৃত্ব নির্বাচন হবে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে। তবে যারা যোগ্য এবং বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে অবদান রয়েছে, তারাই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসবেন বলে আশা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

18 − 4 =