Templates by BIGtheme NET
১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ৩০ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৫ সফর, ১৪৪১ হিজরী

১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার ভারতের
ফেনী নদীর পানি প্রত্যাহারে কতটুকু ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ?

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ৭, ২০১৯, ৩:১০ অপরাহ্ণ

ভারতের ত্রিপুরায় উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ফেনী নদী। এই নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করতে ভারতকে অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুম অঞ্চলে খাবার পানির সংকট দূর করতে এই পানি ব্যবহার করা হবে বলে এ সম্পর্কিত সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চলমান ভারত সফরের সময় দু’দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে, বাংলাদেশ ভারতকে ফেনী নদীর পানি প্রত্যাহারে সম্মতি দেয়ায় নানা বিতর্কের জন্ম নিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ফেনী নদীর প্রবাহ পথের দুই পাড়ের মানুষদের জীবন নিয়ে। কারণ এই নদীর উপর নির্ভর করে তারা জীবন নির্বাহ করেন। পাশাপাশি সেখানকার কৃষি ও জীববৈচিত্রের উপর প্রভাব পড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

তবে, ভারতকে ফেনী নদীর পানি প্রত্যাহারে অনুমতি দিলেও বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হবে না বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফেনী নদী থেকে ভারত যে পরিমাণ পানি প্রত্যাহার করবে তা এই নদীর জন্য খুবই সামান্য বলে মনে করেন তারা। তারা বলেন, এ নদী উৎপত্তি ভারতের ত্রিপুরায়। সেটি ফেনী হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ফেনীর এ নদীতে বার্ষিক পানির গড় পরিমাণ প্রায় ১৮৭৮ কিউসেক। সেখান থেকে ১. ৮২ কিউসেক পানি নিবে ভারত। যার পরিমাণ খুবই কম এবং তা ব্যাবহার হবে শুধুই খাবারের জন্য। যেটার সরবরাহ করে থাকে আমাদের দেশের ওয়াসাগুলোও।

এ বিষয়ে নদী বিষয়ক সংগঠন রিভাইরাইন পিপল এর মহাসচিব শেখ রোকন বলেন, ভারত যদি ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করে তাহলে তা পরিবেশের উপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। যেকোনো মৌসুমেও এই নদীর পানি কমবে না। কারণ ফেনী নদী ভাটিতে প্রবাহিত হয়েছে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণ পানি থাকে এই নদীতে।

পানি সম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলেন, বাংলাদেশের ভাটিতে এই নদীর উপর মুহুরি সেচ প্রকল্প আছে। মাত্র দুই কিউসেক পানি প্রত্যাহার করলে তা পরিবেশের উপর কোন ধরণের প্রভাব ফেলবে না বলেও মনে করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

6 + 19 =