Templates by BIGtheme NET
১৫ আগস্ট, ২০২০ ইং, ৩১ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৩ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

শহরের মধ্যে এক চিলতে গ্রাম বৃন্দাবন

প্রকাশের সময়: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ

শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে, খোলা মাঠ। মাঠে বিচ্ছিন্নভাবে দুই-একটা গরু বাঁধা। বিস্তৃত মাঠের মাঝে কয়েকটি ঘর। উঁচু-নিচু ও আঁকাবাঁকা মেঠোপথ। নদীর তীরে কিছু ঝুপড়ি ঘর। কাছেই বিমান ওঠা-নামার রানওয়ে। প্রায়ই ঘরের উপর দিয়ে সাঁই সাঁই করে উড়ে যায় প্লেন। এ দৃশ্য ছবির মতো সুন্দর।

মনোরম দৃশ্যের সুন্দর এই জায়গাটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তুরাগ থানাধীন ৫২নং ওয়ার্ডের একটি অংশ, নাম বৃন্দাবন। বৃন্দাবন এলাকাটি মিরপুর-১২ নম্বর সংলগ্ন। বর্তমানে জায়গাটি রাজউকের নিয়ন্ত্রণাধীন।

বৃন্দাবন জায়গাটি যান্ত্রিক ঢাকা শহরের মধ্যেও আরেকটি অচেনা ঢাকা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এখানে সকালে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙে। কেউ কেউ গরু বেঁধে দিচ্ছে ঘরের পাশে খালি জায়গায়। ঝুপড়ি ঘরের কোনায় ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা গ্রাম্য খেলায় মেতে ওঠে। হরেক রকম শীতকালীন সবজির ক্ষেতও রয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী হওয়া রানওয়ের মতো মাথার উপর দিয়ে সাঁই সাঁই করে উড়ে যায় প্লেন। দূর থেকে প্লেন ওঠানামা নামার দৃশ্য ভালোভাবে দেখা না গেলেও বোঝা যায়। বৃন্দাবনের পাশ দিয়ে উত্তরা, মিরপুর হয়ে মতিঝিল রুটের মেট্রোরেল নির্মাণাধীন রয়েছে।

বৃন্দাবনে চলাচলের জন্য রয়েছে রিকশা, ইঞ্জিনচালিত রিকশা, অটোরিকশা ও লেগুনা। এর পূর্ব পাশে বিমানবন্দর, উত্তর-পশ্চিম কোনে দিয়াবাড়ি, পশ্চিমে বিরুলিয়া এবং দক্ষিণে মিরপুর ১২ নম্বর।

শহরের মধ্যে এমন দৃষ্টিনন্দন জায়গা হওয়াতে প্রতিদিনই বৃন্দাবনে ছুটে আসে অসংখ্য মানুষ। শহরের যান্ত্রিক কোলাহল থেকে খোলামেলা ও মুক্ত পরিবেশের কারণেই এখানে অনেকে ঘুরতে আসেন। এখানে আসলে গ্রামের অনুভূতি পাওয়া যায়। এখানে বসবাস করা মানুষজনও বেশ সহজ সরল ও আন্তরিক।

অনেকেই পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ঘুরতে আসেন। শহুরে যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে জায়গাটি অতুলনীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

three × 3 =