Templates by BIGtheme NET
১৫ আগস্ট, ২০২০ ইং, ৩১ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৩ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

রোহিঙ্গাদের স্বনির্ভর করতে কাজ শুরু, প্রথম প্রকল্প সোলার লাইট

প্রকাশের সময়: ডিসেম্বর ৯, ২০১৯, ৮:২০ অপরাহ্ণ

জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের স্বনির্ভর করতে কাজ শুরু করেছে দুটি প্রতিষ্ঠান। প্রথম প্রকল্প হিসেবে সোলার লাইটের কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামীতে এ প্রকল্পে যুক্ত হবে আরও বৈচিত্র্যময় কিছু উদ্যোগ। দেশের বিদ্যুৎ সমস্যা দূরীকরণে উদ্ভাবনী সামাজিক প্রতিষ্ঠান লিটার অফ লাইট বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা হিরদাপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ট্রেনিং প্রকল্পে পরামর্শ দিচ্ছে।

চার মাসের এই প্রকল্পে ৫০ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ শিখেছে কিভাবে সহজলভ্য জিনিসপত্র দিয়ে সোলার ল্যাম্প এবং স্ট্রিট লাইট বানানো যায়। যেমন প্লাস্টিক বোতল, পিভিসি পাইপ, ছোট সার্কিট, সোলার প্যানেল এবং ব্যাটারি।

এই প্রশিক্ষণের পরপরই তাদের নিয়োজিত করা হবে ক্ষুদ্র ব্যবসার মডেলের সঙ্গে। যেখানে তারা এই ল্যাম্প তৈরি করে বাইরে বিক্রি করার মাধ্যমে তাদের নিজ ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে।

তাদের ব্যবসা শুরুর জন্য বিভিন্ন অংকের মূলধনও দেওয়া হয় তাদের মাঝে। এই পুরো প্রকল্পটি সংস্থার নিজস্ব দল পরিচালনার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়নে ছিল লিটার অফ লাইট বাংলাদেশ পরামর্শক।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে একজন রোহিঙ্গা প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ পরবর্তী লাইট তৈরির তার নিজের ব্যবসা পরিচালনায় সক্ষম হবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য কাজ করে যাওয়া এই প্রকল্পের অন্যতম অংশীদার হিরদাপের বাস্তু সংস্থান প্রধান স্বাহার ডেসাই বলেন, আমাদের প্রথম পাইলট প্রকল্প সফলের দিকে এগোচ্ছে, মনিটরিং এবং এভলিউশন রিপোর্ট আসলে তার ওপর ভিত্তি করে আমরা এই প্রকল্প আরও কিছু ক্যাম্পে বাড়ানোর ইচ্ছা আছে।

লিটার অফ লাইট বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এবং এই প্রকল্পের প্রধান পরামর্শক সানজিদুল আলম সিবান শান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আমাদের প্রথমবারের মত এই প্রকল্প ইমপ্লিমেন্ট করেছি, বেশ সফলই বলা যায়। রোহিঙ্গারা খুব দ্রুত রপ্ত করতে পারে। আমরা চাই অন্যান্য সংস্থার সাথে যুক্ত হয়ে এই প্রকল্প আরও বড় করতে।

উল্লেখ্য লিটার অফ লাইট বাংলাদেশ বাংলাদেশের রিচার্জভিত্তিক একটি উদ্ভাবনী সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের নানান প্রকল্পের অংশ হিসেবে নানান সামাজিক প্রকল্পে অংশ নিয়ে কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

thirteen + fourteen =