Templates by BIGtheme NET
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ১১ ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৭ জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

বাংলাদেশের অর্থ ব্যবস্থাপনায় নতুন দ্বার হতে পারে ফিনটেক

প্রকাশের সময়: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ৬:২৯ অপরাহ্ণ

বিশ্বজুড়ে আজ প্রযুক্তির ঢেউ আছড়ে পড়ছে সবখানে। সেখানে কেউ তাল মিলিয়ে টিকে যাচ্ছে  নতুবা হারিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফিনটেক একটি নতুন শব্দ। অনেকের কাছে এটি ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আপাতত এটিকে নেগেটিভ প্লাটফর্ম হিসেবে ধরা হচ্ছে। ব্যাংকাররা মনে করছে এটি হুন্ডি ব্যবসাকে উৎসাহিত করবে।

ফিনটেক নিঃসন্দেহে জীবনকে বদলে দেবে। তবে তার আগে জানা দরকার ফিনটেক কি? ফিনটেক হচ্ছে ফাইনালসিয়াল টেকনোলজি এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ফিনটেক এর কাজ হচ্ছে প্রযুক্তির মাধ্যমে আর্থিক  পণ্য ও সেবাগুলোর ডিজাইন ও সরবরাহ করা। যেমন ফিনটেকের মাধ্যমে ব্যাংকে চেক ছাড়াই টাকা উত্তোলন ও কোনো কাগজপত্র ছাড়াই লেনদেন ও একাউন্ট খোলা যায়।   এছাড়াও ফরেস্ক ও স্টক ট্রেডিং, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড অ্যাপস, এগুলো সবই ফিনটেক এর উদাহরণ।

 ফিনটেকের মূল ব্যবহারকারি হচ্ছে ব্যাংক, ইনসুরেন্সসহ অন্যান্য ফাইনালসিয়াল প্রতিষ্ঠান। নতুন স্টার্ট আপ প্রতিষ্ঠানগুলোও ফিনটেক ব্যবহার করছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানগুলো কেন ফিনটেকের দিকে ঝুঁকছে? তার প্রধান কারণ হচ্ছে, ফিনটেক এর মাধ্যমে সহজেই কম খরচে গ্রাহকদের সেবা দেয়া যায়। যারা সাধারণ ব্যাংকিং করে না, তাদের কাছেও পণ্য ও সেবা পৌঁছানো যায়। আর এই প্রতিযোগিতার যুগে ফিনটেক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে রাখে। বিশ্বব্যাপি দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে ফিনটেক। বিশ্বের অনেক দেশে ফিনটেক ভিত্তিক কোম্পানি এসেছে।

ফিনটেক ফার্মগুলো কোথায় চলছে:

 ফিনটেক আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পুরনো কাজের বিকল্প হিসাবে কাজ করার সন্ধান করছে। অনেক ক্ষেত্রে পণ্য ও সেবাগুলোর পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে। বিশ্বব্যাপী, আর্থিক সেবা খাতে বাধা দূর করে এর পথ সুগম করে কাজকে সহজ করে চলেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফিনটেক:

২০১৮ সালে ব্যাপক বিনিয়োগের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৯ সালে ফিনটেক স্বল্প পরিসরে বিনিয়োগ করতে শুরু করে। ২০১৮ সালে আর্থিক জয়েন্ট ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ও এমএন্ডএ বিনিয়োগ কার্যক্রম বছরের প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। মার্কিন-চীন উভয় দেশের বাণিজ্য উত্তেজনায় চীনের অনেক চু্ক্তি হ্রাস পায়। চীনের অর্থনীতে হোচঁট খাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা ফিনটেক ও ফিনটেক কোম্পানিগুলোর দিকে নজর দিতে থাকে।

সিবি ইনসাইটের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফিনটেকের চু্ক্তি ও অর্থায়নের জন্য একটি রেকর্ড বছর ছিল। প্রত্যেক বছরই এখানে ফিনটেকের চুক্তি ও অর্থায়ন বেড়েছে। ২০১৪ সালে যেখানে ১৯ শতাংশ ছিলে ২০১৮ সালে তা বেড়ে ১৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সাধারণভাবে, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় ফাইনটেক স্টার্টআপগুলো বেশি  তহবিল ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করছে।

২০১৮ সালের সবচেয়ে বড় গ্রহীতা ছিল ভিয়েতনাম-ভিত্তিক ফাইনটেক মেজর মোমো। যা ওয়ারবার্গ পিনকাস থেকে সিরিজ সি তহবিল হিসেবে ১০০ মিলিয়ন নেয়। চীনের টেক জায়ান্ট আলিবাবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আগ্রাসীভাবে নিজেদের প্রসারিত করতে চাইছে। অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল বিভিন্ন সহায়ক সংস্থার মাধ্যমে অর্থ প্রদান, বীমা, ঋণ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য আর্থিক সাবসিডিয়ারি পরিসেবা দিয়ে যাচ্ছে। অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল একাই ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে যা ২০১৮ সালের মোট বিনিয়োগের প্রায় ৩৫ শতাংশ বলে জানায় সিবি ইনসাইট।

ফিনটেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা এশিয়ায়:

সিবি ইনসাইটস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্লোবাল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল-ব্যাকড ফিনটেক ২০১৮ সালের বিনিয়োগ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রতিষ্ঠানটির ২০১৮ সালের ঋণের ২৯.৫৭ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাপী ১৭০৭টি চু্ক্তি করেছে। বছরে ১৫ শতাংশ চুক্তি বেড়েছে। অনন্য ফিনটেকগুলো বার্ষিক ১৪৬৩ সংস্থার সাথে চুক্তি করেছে। অনন্য বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল ২৭৪৫, যার বেশির ভাগই কর্পোরেট বিনিয়োগকারী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে ১১.৮৯ বিলিয়ন ডলারের ৯৬৫ টি বিনিয়োগ করে শীর্ষ ফিনটেক বাজার হিসাবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে এশিয়া এটিকে প্রারম্ভিক পর্যায়ে দেখছে। ধীরে ধীরে মেগা  বিনিয়োগ করছে। এশিয়ায় ৩৮ শতাংশ বছরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এশিয়ার ফিনটেক সংস্থাগুলোর তহবিলের পরিমাণ ২২.৬৫ বিলিয়ন ডলার যা ৫১৬ টি চুক্তির মাধ্যমে করেছে। খুব শীঘ্রই ফিনটেক বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসাবে এশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সিবি ইনসাইটস এর প্রতিবেদনে বলা হয়।

বাংলাদেশে ফিনটেক এর সম্ভাবনা:

বাংলাদেশের অনুন্নত আর্থিক ব্যবস্থা, বিশাল অব্যবহৃত জনসংখ্যা ও স্মার্টফোন ব্যবহারের হার, উদ্ভাবনী ডিজিটাল ফিনান্সগুলোর বিকাশ ঘটিয়েছে। বাংলাদেশে এ খাতটি উদীয়মান পর্যায়ে রয়েছে তবে সাম্প্রতিক বছরগুলো সরকারের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি এক্সিলার, ইনকিউবেটর, স্টার্টআপ ইভেন্ট দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। মোবাইল ফোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার আলোড়ন তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশের প্রযু্ক্তিতে। যেখানে মোবাইল ফোন যোগাযোগের পাশাপাশি আরও অনেক ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপ করার জন্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

বিকাশের মতো নন-ব্যাংকিং ফিনটেক সংস্থা বিগত কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশের মোবাইল মানি সেবার ক্ষেত্রে বাজারের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম আই পে’র পরে রয়েছে। আই পে’র মাধ্যমে  মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার থেকে অর্থ প্রদান করা যায়। কিছু ব্যাংকও একই পরিসেবাদী সরবরাহ করছে তার মধ্যে রয়েছে- রকেট, এমক্যাশ,  ইউক্যাশ তবে তাদের বাজার খুব ছোট। মোবাইল মানি পরিসেবা ছাড়াও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার মতো অ্যাকাউন্ট খোলা, ঋণ, বীমা এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবাগুলো প্রচলিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় করা হয়নি।

আধুনিক আর্থিক পরিসেবা খাত ৪০০ বছরেরও বেশি পুরনো। অর্থ পরিশোধের জন্য সতেরো শতকে চেক প্রবর্তন করা হয়েছিল এবং এর কয়েক শতাব্দী আগে বীমার কার্যক্রম শুরু করা হয়। বছরের পর বছর ধরে, আর্থিক সেবা সংস্থাগুলো আরও বেশি লোককে তাদের সেবা দিতে সক্ষম হয়েছে। তবুও, আজ বাংলাদেশের ৩৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই এবং তাদের অর্থনৈতিক কার্যক্রম দেশের আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির অংশ নয়।

সঠিক নিয়ামক কাঠামো এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় গৃহীত হলে ফিনটেক এই দৃশ্য পরিবর্তন করতে পারে। ফিনটেক বাংলাদেশের মতো উদীয়মান দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে ত্বরান্বিত করার জন্য প্রস্তুত। ভারতের মতো অন্যান্য উদীয়মান দেশগুলির আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ফিনটেকের অনেক উপাদান ইতিমধ্যে গ্রহণ করে এর সুবিধা ভোগ করছে।

ফিনটেক বাংলাদেশের অর্থনীতি কার্যক্রমের সংস্কার করতে পারে। এখনো নগদ বা অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অর্থ আদান-প্রদান করা হয়। বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের সুবিধার্থে আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির একটি বিশাল অংশকে আনতে সহায়তা করবে।

আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির মাধ্যমে অর্থ প্রদান বাড়ানো অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে এবং কর আদায়ের কার্যকারিতা উন্নত করবে। ফিনটেক নোট মুদ্রণ ও বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় নগদ পরিমাণ লেনদেন হ্রাস করবে। ফিনটেক দেশে জাল মুদ্রার প্রচারের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করবে। নগদ অর্থের হ্রাস প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যয় হ্রাস ও ঝুঁকি পরিচালনা করতে সহায়তা করবে।

প্রচলিত আর্থিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করার ক্ষমতা আছে ফিনটেক। খুচরা আর্থিক ক্রিয়াকলাপ যেমন ঋণ প্রদান বা কোনও বীমা প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য যাচাইকরণ প্রয়োজন। ফিনটেক এই যাচাইকরণের প্রক্রিয়াগুলো সম্পূর্ণরূপে স্বয়ংক্রিয় করতে পারে। কোনও ব্যক্তি ডিজিটালভাবে সমস্ত সহায়ক নথির সাথে ঋণ আবেদন বা একটি বীমা প্রস্তাব অনলাইনে জমা দিতে পারে ও যাচাইকরণ এবং অনুমোদনের প্রক্রিয়াটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ার সাথে সাথে আবেদনকারী অনলাইনে বা ইমেলের মাধ্যমে তার আবেদন সম্পর্কিত প্রতিক্রিয়া পাবেন। এই জাতীয় প্রযুক্তির নেতৃত্বাধীন পরিসেবা ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপগুলোতে ধারাবাহিকতা নিয়ে আসে ও ত্রুটি এবং পক্ষপাতের ঝুঁকি হ্রাস করে। আর্থিক পণ্য বিক্রি করার সময় হ্রাস ও গ্রাহকদের সন্তুষ্টি বাড়ায় ফিনটেক।

আর্থিক পরিসেবা সংস্থাগুলো গ্রাহকদের পারস্পরিক কার্যকলাপের সঙ্গে নতুন মাত্রা দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ফিনটেকের। বাংলাদেশে গ্রাহকরা ও আর্থিক পরিসেবাগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ ও পরিসেবার জন্য সংস্থা বা কল সেবা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। বর্তমানে কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের কাছে তাদের আর্থিক সেবা সরবরাহকারীদের সাথে চ্যাট করার বিকল্প রয়েছে।

ফিনটেক সক্ষম প্ল্যাটফর্মগুলোতে চ্যাট আলোচনাগুলো সফটওয়্যার রোবট দ্বারা করা হয়, যা চ্যাটবট নামে পরিচিত। একইভাবে, গ্রাহকরা সেবা কেন্দ্রে কল করলে তাদের কলগুলোর উত্তর ডিজিটাল ভয়েস সহায়ক বা হিউম্যানয়েড সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে পান। মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন প্রযুক্তিগুলি এ জাতীয় অর্জন সম্ভব করেছে। এই জাতীয় প্রযুক্তি আর্থিক পরিষেবা সংস্থাগুলিকে ব্যয় হ্রাস এবং তাদের পরিষেবার গতি এবং ধারাবাহিকতা উন্নত করতে সহায়তা করে।

সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় ফিনটেকের কাছ থেকে নানাভাবে উপকৃত হতে পারে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যাক তরুণ জনসংখ্যা রয়েছে যারা দ্রুত প্রযুক্তি গ্রহণ ও সম্ভাব্যভাবে ফিনটেকের আগ্রহী ব্যবহারকারী হতে পারে। আনুষ্ঠানিক আর্থিক পরিসেবাদি নেটওয়ার্কে আরও গতিশীল করার জন্য বাংলাদেশের আর্থিক সেবা সংস্থাগুলো তাদের রূপান্তর যাত্রায় ফিনটেক গ্রহণ করা উচিত।

বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো স্বয়ংক্রিয়করণে পিছিয়ে রয়েছে। ফিনটেক স্টার্টআপগুলোর মতো নতুন নন-ব্যাংকিং আর্থিক পরিষেবা সরবরাহকারী গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে ও বাজার দখল করতে পারে। ফিনটেক বাংলাদেশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে ও বৃদ্ধির হারকে বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন ও তহবিল প্রয়োজন।  বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ফিনটেক ও ডিজিটাল ফিনান্স জনগণের কাছে প্রাথমিক ব্যাংকিং  ও আর্থিক সেবা আনতে মৌলিক ভূমিকা পালন করার সম্ভাবনা রাখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

six − two =