Templates by BIGtheme NET
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ১৬ ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৩ রজব, ১৪৪১ হিজরী

গণফোরামে কোন্দল তুঙ্গে চলছে বহিষ্কার-পাল্টা বহিষ্কারের পালা

প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০, ১২:৫১ অপরাহ্ণ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছে দীর্ঘদিন ধরে। বহিষ্কার-পাল্টা বহিষ্কারের পালা চলমান থাকায় দলটির গৃহবিবাদ এখন প্রকাশ্যেই দেখা দিয়েছে সবার কাছে।

‘দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ’ করার দায়ে দলের প্রচার সম্পাদক খান সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফুল বারী হামীম, হেলাল উদ্দিনসহ ১৮ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলেন সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া।

তবে তারা শোকজের কোনও উত্তর দেননি। জানা গেছে, রেজা কিবরিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ দলের একাংশ। তাদের অভিযোগ, রেজা কিবরিয়া রাজনীতিবিদ নন। রাজনীতির অনেক হিসেব-নিকাশ না বুঝে দলে নতুনদের জায়গা দিয়ে পুরনোদের দূরে রাখতে চাইছেন।

এদিকে বহিষ্কৃত পক্ষের অভিযোগ, দলের নীতি নির্ধারণে গণতন্ত্র নেই। অগণতান্ত্রিকভাবে দল পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ ও নেতৃত্ব নির্বাচনের অভিযোগ তোলায় তিন কেন্দ্রীয় নেতাকে বহিস্কার করেছেন সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া। জবাবে সাধারণ সম্পাদকসহ দু’জনকে পাল্টা বহিস্কার করেছেন তারা।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি দলের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া ও যুগ্ম সম্পাদক মুশতাক আহমদকে সাময়িক বহিষ্কারের চিঠি দিয়েছে দলটির এক পক্ষ। মতিঝিলে ইডেন বিল্ডিংয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে এই চিঠিটি সাঁটিয়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে লতিফুল বারী হামীম জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির ৫৮ জন সদস্য মিলে দলের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া ও যুগ্ম সম্পাদক মুশতাক আহমদকে সাময়িক বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে মুশতাক আহমেদ বলেন, ৪ ফেব্রুয়ারি গণফোরামের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জগলুল হায়দারের চেম্বারে বসে দলের গুটিকয়েক লোক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বহিস্কার পাল্টা বহিস্কারের খেলায় প্রথমদিকে নিশ্চুপ থাকলেও এখন সক্রিয় দলের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। দলে ভাঙ্গনের চেষ্টা যারা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ড. কামাল হোসেন বিষয়টিকে দেখছেন সাবেক এক সাধারণ সম্পাদকের ষড়যন্ত্র হিসেবে। শোকজ এর যথাযথ জবাব না পেলে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

এদিকে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, এটা সেক্রেটারির সঙ্গে প্রবলেম। বহুদিন ধরে তাকে বলা হচ্ছিল গঠনতন্ত্র ও সংবিধান মোতাবেক কাজ করেন। তবে ৯-১০ মাস ধরেই তো তিনি উল্টাপাল্টা করছেন। আমি জানি না বিষয়গুলো কতদূর যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

17 + four =