Templates by BIGtheme NET
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ১৬ ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৩ রজব, ১৪৪১ হিজরী
Passengers wear protective masks to protect against the spread of the Coronavirus as they arrive at the Los Angeles International Airport, California, on January 22, 2020. - A new virus that has killed nine people, infected hundreds and has already reached the US could mutate and spread, China warned on January 22, as authorities urged people to steer clear of Wuhan, the city at the heart of the outbreak. (Photo by Mark RALSTON / AFP) (Photo by MARK RALSTON/AFP via Getty Images)

করোনা ভাইরাস : গন্তব্য কতদূর?

প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০, ১০:০০ অপরাহ্ণ

এতদিন বেজিংয়ের কাছে চীনের রাজবংশের প্রাচীন প্রসাদ কে বলা হতো নিষিদ্ধ নগরী।

করোনার প্রভাবে এখন চীনের ১০টির বেশি শহর নিষিদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছে।

উহানের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার লি প্রথম করোনার উপস্থিতি টের পেয়েছিলেন। ইতোমধ্যে তিনি মারা গেছেন।

ভাইরাস আক্রমণের কথা বলায় তিনি চীনা গোয়েন্দাদের তোপের মুখে পড়েছিলেন।

করোনাভাইরাস চীন সরকারের আত্মবিশ্বাসকে শেষ করে দিয়েছে।

তাহলে কি চীনের অসুখ বিশ্বের ভয়াবহ মহামারীতে রূপ নিতে চলেছে।

একাধিক মহাদেশের ছড়িয়ে পড়া মহামারী কে ইংরেজিতে বলে pandemic.

করোনাভাইরাস কি প্যানডেমিক হয়ে উঠতে পারে?

পশ্চিমা দেশগুলি তেমনে আশঙ্কা করছে, যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও ঘোষণা করেনি।

৫ কোটি নাগরিককে গৃহবন্দি করেও ভাইরাসটিকে আটকাতে পারেনি বিশ্বের বৃহৎ জনসংখ্যার দেশ চীন।

চীনের বাইরে ২৫টি দেশে করোনা আক্রান্ত মানুষ রয়েছে। যদিও মৃতের সংখ্যা মাত্র দুই।

দুর্বল স্বাস্থ্য পরিকাঠামো যেসব দেশে রয়েছে সেখানে করোনাভাইরাস ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা।

ইতিহাস বলছে, ১০০ বছরের ব্যবধানে ফিরে আসে এমনই একটি মহামারী।

১৭২০ সালে প্লেগে বিশ্বজুড়ে মারা গেছে অন্তত ২০ কোটি মানুষ।

১৮২০ সালে ভারত ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় কলেরার বলি হন কয়েক লক্ষ মানুষ।

আর সর্বশেষ ১৯২০ সালে স্প্যানিশ ফ্লুতে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়।

১৬৫ খ্রিস্টাব্দে এশিয়া মাইনর অঞ্চলে প্লেগে মারা যান ৫০ লক্ষ মানুষ।

৫৪১ খ্রিস্টাব্দে জাস্টিনিয়ান প্লেগে মারা যান ইউরোপের আড়াই কোটি মানুষ।

১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ব্লাক ডেথ প্লেগে তিন মহাদেশে ১০ কোটি মানুষ মারা যান।

১৮৫২ সালের কলেরায় ভারত, ইউরোপ, আমেরিকা ও উত্তর আফ্রিকায় ১০ লাখ মানুষ মারা যায়।

১৮৮৯ সালের রাশিয়ান ফ্লুতে ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

১৯১১ সালের কলেরায় চার মহাদেশের ৮ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়।

১৯৫৬ সালের এশিয়ান ফ্লুতে মারা যান চীন, সিঙ্গাপুর ও আমেরিকার ২০ লক্ষ মানুষ।

১৯৬৮ সালের হংকং ফ্লুতে এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা ১০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।

এই ক্ষেত্রে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি চান না মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × one =