Templates by BIGtheme NET
২৯ মার্চ, ২০২০ ইং, ১৫ চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৪ শাবান, ১৪৪১ হিজরী

করোনার ওষুধ আবিষ্কার, বাজারে ছাড়ার অনুমতি

প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০, ৯:২০ অপরাহ্ণ

অবশেষে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছে মার্কিন গবেষকরা। আবিষ্কৃত ওষুধ প্রয়োগ করে করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন। ওষুধটি প্রাথমিক ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন।

অন্যদিকে ফ্যাপিলাভির নামে আরেকটি অ্যান্টিভাইরাল নভেল করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছে চীন। চীনের ঝেঝিয়াং প্রদেশের সরকার ফ্যাপিলাভির অ্যান্টিভাইরালটি বাজারজাতকরণের অনুমতি দিয়েছে। করোনা ভাইরাসের এটিই প্রথম কোনো প্রতিষেধক যা দেশটির ন্যাশনাল মেডিকেল প্রোডাক্টস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনেরও অনুমোদন পেয়েছে।

গত ১৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়। তবে তার চিকিৎসা শুরু হয় স্নোহোমিশ হেলথ ডিস্ট্রিক্টে। ওই হাসপাতালে অ্যাডিসন এবং উইলকারসনসহ কয়েকজন দক্ষ ডাক্তারকে নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়।

অ্যাডিসনের দলটি হাসপাতালে বায়োহ্যাজার্ড টিম আইসোলেশন ইউনিট তৈরি করে। করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তিকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়।
অ্যাডিসন বলেন, ‘ইন্ট্রাভেনাসের থেরাপি দেয়ার মতো আমরা প্রতিদিন যা যা করছিলাম তাতে মনে হচ্ছিল যে, অবস্থা বেশ জটিল। আমাদের দুই জোড়া গ্লাভস পরতে হচ্ছিল। এটা তো ছিল ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতাসম্পন্ন মানুষের কাজ। কিন্তু আমাদের সব করতে হচ্ছিল। এমন সুরক্ষিত পোশাক-পরিচ্ছেদ আমাদের শিরাগুলোকেও মুক্তি দিচ্ছিল না।’

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের চিকিৎসকদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করে ওই বিভাগের প্রধান যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘রেমডেসিভির’ অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ প্রয়োগের অনুমোদন পান। অনুমতি পাওয়ার পর তারা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে পরীক্ষামূলকভাবে একটি অ্যান্টিভাইরালের ব্যবহার শুরু করে। ওষুধটি তৈরি করে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক গিলিড ফার্মাসিটিউক্যালস।

ওই চিকিৎসক দলের প্রধান ছিলেন দিয়াজ নামে এক ডাক্তার। তিনি বলেন, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি যে অ্যান্টিভাইরাল ব্যবহারের অনুমোদন পান তা ওই রোগীর ওপর প্রয়োগের কয়েক দিন পর তার জ্বর কমতে শুরু করে এবং তিনি সুস্থ বোধ করেন। জানুয়ারি ৩১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ওই রোগী বাড়ি ফেরেন।

মার্কিন এ চিকিৎসক বলেন, ‘এটাই করোনাভাইরাসের চিকিৎসা হিসেবে প্রথম এবং একমাত্র সফলতা হলেও এ পদ্ধতি যে কাজ করছে তা বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে।’

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, চায়না ডেইলি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

8 − 5 =