Templates by BIGtheme NET
২৯ মার্চ, ২০২০ ইং, ১৫ চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৪ শাবান, ১৪৪১ হিজরী

করোনা ভাইরাসের কারণে মসজিদে নামাজ বন্ধ! ইসলাম যা বলে

প্রকাশের সময়: মার্চ ২০, ২০২০, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ

বিশেষ সংবাদ: সূরা বাকারার ৪৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, তোমরা রুকু কারীদের সাথে রুকু করো অর্থাৎ জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করো।

রাসুল স. একবার মসজিদে নামাজের শেষে বলেছিলেন, যারা মসজিদে নামাজের জন্য আসেনি, আমার মনে চায় তাদের ঘরবাড়িগুলো জ্বালিয়ে দেই।

এর মাধ্যমে বোঝা গেলো জামায়াতে নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। আর এটা হচ্ছে পৃথিবীর সংখ্যাঘরিষ্ট ওলামায়ে কেরামের মত।

কিন্তু এমন কোনো পরিস্থিতি আছে কিনা যার জন্য জামায়াত ত্যাগ করা যায়।

মসজিদে গেলে কারো ভয়ের মুখোমুখি হবেন, কোনো ক্ষতির মুখোমুখি হবেন, বা কোনো আশংকা থাকে তাহলে তার জন্য মসজিদে না গিয়ে তার অবস্থানস্থলে নামাজ আদায় করা ইসলামের শরিয়ত অনুমোদন দেয়। এবং ইসলামের সকল স্কলারগণ এ বিষয়ে একমত।

বুখারি ও মুসলিম একযোগে বর্ননা করেছেন, আব্দুল্লাহ এবং ওমর রা. একবার প্রচন্ড ঠান্ডার দিনে ফজরের সময় আজান দিয়েছেন এবং আজানের শেষে বলেছেন সল্লিফিরু হালিকুম অর্থাৎ তোমরা যার যার বাসায় নামাজ আদায় করো।

অর্থাৎ কেউ যদি মসজিদে আসার ফলে তার ক্ষতির আশংকা থাকে বা তার অঙ্গহানি হতে পারে অথবা মৃত্যুর মুখোমুখি হতে পারেন, এরকম ভয়াবহতার কারণে তিনি এটা বলেছেন।

অন্য হাদিসে রাসুল স. প্রচন্ড ঠান্ডা বা কোনো ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যার যার বাড়িতে নামাজ পরার অনুমতি দিয়েছেন।

এর বাইরে বোখারি মুসলিম শরিফের অন্য বর্ননায় আমরা জানতে পারি, সাহাবি ইবনে আব্বাস রা. তায়েফে একবার তার মোয়াজ্জিনকে নির্দেশ করেছেন আজানের মধ্যে হাইয়া আলাস সালাহ বলার জায়গায় তিনি যেন মুসল্লিদেরকে আহ্বান করেন, যার যার বাসায় নামাজ আদায় করবার জন্য।

তাহলে আজানের মধ্যে বা বাইরে যে দুটি বর্ণনা পাওয়া যায় দুটোই বিশুদ্ধ বর্ননা। যে কোনোটাই আমল করা যেতে পারে।

তবে এটুকু প্রমানিত হয় এ বর্ননাগুলো দ্বারা, যে কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে মসজিদে জামায়াতের আয়োজন বন্ধ রেখে যার যার বাসায় নামাজ আদায় করার কথা বলা যেতে পারে। এটি রসুল স. থেকে এবং সাহাবায়ে কেরাম থেকেও প্রমাণিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two × 4 =