Templates by BIGtheme NET
১৩ জুলাই, ২০২০ ইং, ২৯ আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২১ জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী

নতুন রেকর্ড
সংক্ষিপ্ততম সময়ে দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট পাস

প্রকাশের সময়: জুলাই ১, ২০২০, ১:১৮ অপরাহ্ণ

চলমান উন্নয়ন অব্যাহত ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ২০২০-২১ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট পাস হয়েছে।

৩০ জুন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

গত ১১ জুন ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যত পথপরিক্রমা’স্লোগান সম্বলিত এ বাজেট সংসদে পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জাতীয় বাজেট পাস হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে কঠোর সতর্কতার মধ্যে কম সময়ের মধ্যে এই বাজেট পাস দেশের সংসদীয় ইতিহাসে নতুন রেকর্ড।

করোনা মহামারিসহ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এই বাজেট যথাযথভাবে বাস্তবায়নে আশাবাদি সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর দীর্ঘ আলোচনার ইতিহাস থাকলেও এবার আলোচনা হয়েছে মাত্র দুই দিন। সর্বশেষ স্বল্প সংখ্যক সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে পাস হয় বাজেটটি।

করোনা পরিস্থিতির কারণে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় খুব বেশি না বাড়িয়ে ২ লাখ ১৫ হাজার ৪৩ কোটি টাকা ধরা হয়েছে, যা গত বাজেটের প্রায় ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ বেশি।

এবার পরিচালন ব্যয় (ঋণ, অগ্রিম ও দেনা পরিশোধ, খাদ্য হিসাব ও কাঠামোগত সমন্বয় বাদে) ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৮০ কোটি টাকা, যা গত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি।

এর মধ্যে ৬৫ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধেই যাবে, যা মোট অনুন্নয়ন ব্যয়ের প্রায় ১৯ শতাংশ।

নতুন অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। যা গত বছরের চেয়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

এবারো সবচেয়ে বেশি কর আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে। যা বিদায়ী অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি।

এবারের বাজেটে আয়কর ও মুনাফার ওপর কর থেকে এক লাখ ৩ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা রাজস্ব পাওয়ার আশা করা হয়েছে। গত বাজেটে এর পরিমাণ ছিল এক লাখ ২ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা।

এছাড়া নতুন বাজেটে আমদানি শুল্ক থেকে ৩৭ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা, সম্পূরক শুল্ক থেকে ৫৭ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা, রপ্তানি শুল্ক থেকে ৫৫ কোটি টাকা,

আবগারি শুল্ক থেকে ৩ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা এবং অন্যান্য কর ও শুল্ক থেকে এক হাজার ৫৩০ কোটি টাকা আদায় হবে। বৈদেশিক অনুদান থেকে ৪ হাজার ১৩ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।

বিদায়ী অর্থবছরের ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হলেও করোনা দুর্যোগের মধ্যে তা সংশোধন করে ৫ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারলে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৪ শতাংশের মধ্যে আটকে রেখেই ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব হবে বলে জানান অর্থনীতিবিদগণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

five × two =