Templates by BIGtheme NET
৪ ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৮ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

চলছে নজরদারি:
আ. লীগে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করেই ব্যবস্থা!

প্রকাশের সময়: জুলাই ১১, ২০২০, ৩:৫০ অপরাহ্ণ

অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে আওয়ামী লীগের ভিতরে আলোচনা-সমালোচনা অনেকদিনের। বিশেষ করে, ক্যাসিনোকাণ্ডের পর দলের সিনিয়র নেতারা অনুপ্রবেশকারিদের বিরুদ্ধে সোচ্চারও হয়েছিলেন। আর দলীয় কাউন্সিলের আগে অনুপ্রবেশকারিদের তালিকাও প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ। সে সময় তাদেরকে হাইব্রিড, কাউয়াসহ নানা নামে অভিহিত করা হয়। কিন্তু হঠাৎ করে এই অভিযান অজানা কারণে স্তব্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদের অপকর্মের পর আবারও দলে অনুপ্রবেশকারিদের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, অন্যদল থেকে কিভাবে এসব নেতারা অনুপ্রবেশ করে?

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, গত নির্বাচনের আগে বিভিন্ন দলের সমর্থকরা আওয়ামী লীগে যোগদান করেছে। আওয়ামী লীগও আগপাছ বিচার না করে তাদের গ্রহণ করেছে। অনুপ্রবেশকারি এসব নেতারা দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেতাদের ডিঙ্গিয়ে জায়গা করে নেয়। আর তারই প্রমাণ হচ্ছে, ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও সর্বশেষ রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ।

নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক আওয়ামী লীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, সারাদেশে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে সুবিধাভোগীই শুধু নয়, দেশদ্রোহী রাজাকারদেরও দলীয় পদে বসানো হয়েছে। অন্যদিকে পদবঞ্চিত করা হয়েছে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাদের। এতে অনেকগুলো ইউনিটে বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়ে গেছে তৃণমূল আওয়ামী লীগ। তৃণমূলের পাশাপাশি সুবিধাভোগীরা বাসা বেঁধেছে দলের কেন্দ্রীয় উপকমিটিতেও। এরাই নানা অপকর্মে জড়াচ্ছে। বদনাম হচ্ছে মূল দলের।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনে এখনো অনেক অনুপ্রবেশকারী আছে। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে দলকে সুসংগঠিত ও হাইব্রিডমুক্ত করার উদ্যোগ নেন স্বয়ং দলের প্রধান শেখ হাসিনা। এর অংশ হিসেবে তিনি দলের ভেতরে ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান শুরু করেন।

দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বলছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এদের চিহ্নিত করে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। বহিষ্কারের আগে সন্দেহভাজনদের চোখে চোখে রাখা হবে। এমনকি গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের কোন নেতারা লিখছেন, কারা টিভির টকশোতে দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন এ বিষয়টিও মনিটরিং করা হবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, দলের কেউ যদি বিপথগামী হয়ে থাকে বা অন্যায় করে তা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। দলীয় সাংগঠনিক নিয়মানুযায়ীও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

four × one =