Templates by BIGtheme NET
১৫ আগস্ট, ২০২০ ইং, ৩১ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৩ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

করোনার মধ্যেও ছাই বিক্রি করে ১২৯ কোটি টাকা আয় বাংলাদেশের

প্রকাশের সময়: জুলাই ২৮, ২০২০, ৮:২৯ অপরাহ্ণ

করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো রপ্তানিতে ধস নেমেছে বাংলাদেশেরও। তবে আশার কথা হচ্ছে এই পরিস্থিতিতে পাটখড় থেকে তৈরি ছাই বিক্রি করে মোটা টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো –ইপিবি’র তথ্য মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের এই সময়ে ছাই রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ১ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার। টাকার অঙ্কে প্রায় ১২৯ কোটি টাকা এবং ছাই রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬৪.৫৩ শতাংশ।

জানা গেছে, এই ছাইয়ে থাকা কার্বন পাউডার দিয়ে প্রসাধনীসামগ্রী, ব্যাটারি, কার্বন পেপার, পানির ফিল্টারের উপাদান, দাঁত পরিষ্কার করার ওষুধ ও ফটোকপি মেশিনের কালি তৈরি হওয়ায় এর ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে।

মূলত, বাংলাদেশ থেকে পাটখড়ির ছাইয়ের প্রধান আমদানিকারক দেশ হচ্ছে চীন। তাইওয়ান, ব্রাজিলেও এটি রপ্তানি হচ্ছে। এর বড় বাজার রয়েছে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, ব্রাজিল, তুরস্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানিসহ ইউরোপের দেশগুলোতে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে ২০০৯-১০ সালে এই পণ্য রপ্তানি শুরু হয়। এ সব ছাইয়ের মধ্যে গড়ে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কার্বন উপাদান থাকে। টনপ্রতি ৫০০ থেকে ১ হাজার ৭০ ডলারে রপ্তানি হচ্ছে এই পণ্য।

কারখানার বিশেষ চুল্লিতে পাটকাঠি পুড়িয়ে এই ছাই তৈরি করা হয়। তিন থেকে চার দিন পোড়ানোর পর চুল্লির ঢাকনা খুলে ছাই সংগ্রহ করা হয়। যদিও কাঠের গুঁড়া, নারিকেলের ছোবড়া ও বাঁশ থেকে এই ছাই উৎপাদন হয়। তবে আমাদের দেশে পাটখড়ি থেকেই বেশি উৎপাদিত হচ্ছে এটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nineteen − 3 =