Templates by BIGtheme NET
১৫ আগস্ট, ২০২০ ইং, ৩১ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৩ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

কবে কিভাবে মুসলমানদের উপর ফরজ হলো কুরবানি?

প্রকাশের সময়: জুলাই ৩০, ২০২০, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

 

কুরবানির হলো আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের অনন্য মাধ্যম। কুরবানির শুরু হয়েছিল হজরত আদম আ. দুই ছেলে হাবিল ও কাবিলের মধ্যে সংঘটিত কুরবানির মাধ্যমে।

সুরা মায়েদার ২৭ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, হে রাসূল! আপনি তাদেরকে আদমের পুত্রদ্বয়ের বৃত্তান্ত যথাযথভাবে পাঠ করে শুনান। যখন তারা উভয়েই কুরবানি করেছিল, তখন একজনের কুরবানি কবুল হ’ল এবং অন্যজনের কুরবানী কবুল হ’ল না।

কুরবানির প্রচলন হজরত আদম আ. এর যুগ থেকে শুরু হলেও মুসলিম উম্মাহ মূলত নিয়মিত কুরবানি পালন করছে হজরত ইবরাহিম আ. এর সময় থেকে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, আল্লাহর সন্তুষ্টির পরীক্ষায় হযরত ইবরাহিম আ. এর ত্যাগকে স্বরণ করা ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

সুরা বাকারার ১২৪ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, যখন ইবরাহিম আ. কে তার পালনকর্তা কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষা করলেন, অতঃপর তিনি তা পূর্ণ করলেন, তখন তিনি বললেন, আমি তোমাকে মাবনজাতির নেতা বানিয়ে দিলাম।

হজরত ইসমাইল আ. যখন চলাফেরা করার বয়সে উপণীত হলেন; তখন হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম তার প্রাণপ্রিয় সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় কুবানির জন্য স্বপ্নে আদিষ্ট হন। আর নবিদের স্বপ্নও কোনো কল্পনা প্রসূত ঘটনা নয় বরং তা ‘ওহি’ বা আল্লাহর প্রত্যাদেশ।

সুরা সাফফাত এর ১০২ আয়াতে উল্লেখ আছে, তখন হজরত ইবরাহিম আ. পুত্র ইসমাইলকে বললেন, হে ছেলে! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, তোমাকে জবেহ করছি। এ বিষয়ে তোমার অভিমত কি? হজরত ইসমাইল আ. বলল, পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তা পালন করুন। আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের মধ্যে পাবেন।

৯৯ বছরের বৃদ্ধ হজরত ইবরাহিম তার প্রাণপ্রিয় পুত্রকে আল্লাহর জন্য স্বপে দিতে চেয়েছিলেন। আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নে তার মানসিকতা আল্লাহর নিকট কবুল হয়েগিয়েছিল। যা আজও মুসলিম উম্মাহ প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ এ তিন দিনের যে কোনো একদিন পালন করে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 × 4 =