Templates by BIGtheme NET
৩১ অক্টোবর, ২০২০ ইং, ১৫ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১২ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

‘আমাদের মানুষ সাহসী, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষমতা রাখে’

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ১৬, ২০২০, ৭:৩১ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের মানুষ যেকোনো দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষমতা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সাহসী। তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মতো ক্ষমতা রাখে। করোনার সঙ্গে সঙ্গেই যেমন আমরা ঝড়-বন্যা সবই মোকাবিলা করে যাচ্ছি। এভাবেই আমাদের প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচতে হবে।

১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২০ উপলক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিশ্চয়তা থাকতে হবে। কারণ করোনভাইরাসের কারণে যখন সারাবিশ্ব স্থবির, তখন একটা দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে যেন তার প্রভাব না পড়ে, আমাদের দেশের মানুষকে যেন এ পরিস্থিতিতে কোনো কষ্ট ভোগ করতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছি।

‘এই প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। আমাদের কৃষকদেরই সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিয়ে যাচ্ছি, যেন তারা তাদের কাজগুলো ভালো করে চালাতে পারে। আমরা এরই মধ্যে সাধারণ মানুষ, গরীব মানুষ, নিম্নবিত্ত মানুষ, যারা কোনো কাজ করতে পারেনি, তাদের জন্য প্রায় ২ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ করে যাচ্ছি। ১০ টাকা কেজি দরের চাল অনেকে হাত পেতে নেবে না। তাই মাত্র ১০ টাকা কেজিতে যেন তারা চাল কিনতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে ২৫১ কোটি টাকা খরচ করছি। ৮৬০ কোটি টাকা কৃষকদের সহায়তায় দিচ্ছি, যেন তাদের উৎপাদতি পণ্য বাজারজাত করতে পারেন,’— বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, কৃষি খাতের যান্ত্রিকীকরণে ৩ হাজার ২২০ কোটি বরাদ্দ রেখেছি। কৃষকরা যেন খুব অল্প টাকায় কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতে পারে, সে জন্য বাকি অর্থ সরকারের পক্ষ থেকেই দেওয়া হচ্ছে। কৃষি সহায়তার জন্য বিশেষ অর্থ বরাদ্দ করেছি। সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছি কৃষি সহায়তা হিসেবে, যেন কৃষক উৎপাদনে উৎসাহ না হারায়।

দেশের মানুষের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সাহসী। তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মতো ক্ষমতা রাখে। করোনার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়-বন্যা সবই মোকাবিলা করে যাচ্ছি। এভাবেই আমাদের প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচতে হবে। এখন আমাদের লক্ষ্য, আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত থাকে। প্রতিটি মানুষের ঘরে যেন খাবার পৌঁছায়। দরিদ্র যারা, তাদের বিনা পয়সায় খাবার দিয়ে যাচ্ছি। এটা সবসময় অব্যাহত রাখব, একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না। একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা সেবা পাবে, কোনো মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভুগবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

2 × two =