Templates by BIGtheme NET
২৬ অক্টোবর, ২০২০ ইং, ১০ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৮ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

ইয়ন নিউজের প্রতিবেদন
চীন-ভারতের ভারসাম্য নীতিতে দক্ষিন এশিয়ার সেরা কুটনীতিক শেখ হাসিনা!

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ১৭, ২০২০, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্কঃ

শেখ হাসিনা যখন চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তখন দক্ষিন এশিয়ায় বিরোধপূর্ণ দুটি দেশ ভারত ও চীন বাংলাদেশে তাদের প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রতিযোগীতা করছিলো। আর এটি সামাল দেয়া ছিলো শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ইতিপূর্বে দক্ষিন এশিয়ার অন্য দেশগুলো চাপে পড়ে ভারত বা চীনের প্রভাব বলয়ে ঢুকে পড়েছিলো। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দুটি দেশের সঙ্গেই সমানতালে সম্পর্ক রেখে এগিয়ে চলার নীতি গ্রহণ করেন।

সম্প্রতি ভারত ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম “ইয়ন নিউজ” এ বিষয়ে এক প্রতিবেদন প্রচার করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এযাবৎকাল শেখ হাসিনা অত্যন্ত সফলভাবে উভয় দেশকেই হ্যান্ডেল করছেন। তিনি কাউকে গ্রহণ বা বাতিল না করেই ভারত ও চীনের মধ্যে একটি চমৎকার ভারসাম্য বজায় রেখেছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের চতুর্দিকে ভারতের সঙ্গে প্রায় ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যর স্বার্থে নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে উন্নয়নশীল দেশে হিসেবে বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে বিশাল বিনিয়োগকারী চীনের সঙ্গেও সুসম্পর্ক রাখা জরুরী।

এদিকে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যৌথ প্রকল্পগুলোর পরিনতি যেন পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো না হয় সেদিকেও অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে প্রকল্পগুলোর স্বায়ত্বশাসন ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বৃহৎ একটি প্রকল্প সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দরের নির্মাণকাজ চীনের বিনিয়োগে হচ্ছে। এদিকে এ বন্দরের কাজ নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন হলেও সমানতালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

গত আগস্ট মাসে ভারতের পররাষ্ট্রসচিবের ঢাকা সফরে দুই দেশের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করতে দুই বছরের একটি রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের লোকের যাতায়াত চালুর জন্য সম্মত হয়েছে উভয়পক্ষ।

সূত্রমতে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমান ছিলো প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার। এর প্রায় ৬ শতাংশ বিনিময় হয় চীনের সঙ্গে। যা বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ১৪ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞমতে বলা হয়, বাংলাদেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য চীন-ভারত উভয়েই প্রতিযোগীতায় লিপ্ত। আর এটিই শেখ হাসিনা কাজে লাগাচ্ছেন। বাংলাদেশকে নিয়ে ভারত ও চীনের সেকেন্ড চয়েজ না থাকলেও শেখ হাসিনার সেই সুযোগ রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

4 × three =