Templates by BIGtheme NET
২১ অক্টোবর, ২০২০ ইং, ৫ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৩ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে আপত্তিকর কন্টেন্ট ফাঁদ!

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ১৭, ২০২০, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের দেশে গত এক দশক ধরে যোগাযোগের ধারণাই পাল্টে দিয়েছে। বলা হচ্ছে, এটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগ। কিন্তু এই মাধ্যম ব্যবহার করে অনেকেই জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপরাধে।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি গোষ্ঠীর অনৈতিক অর্থ আয়ের সহজলভ্য শিকার হচ্ছে দেশের শিশু কিশোরসহ পুরোতরুণ সমাজ। আর কোনো কিছু না বুঝে অজান্তেই এই ফাঁদে পা দিচ্ছে সবাই।

মিডিয়া কন্টেন্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে বানানো এসব ভিডিও মূলত বিভিন্ন অপরাধ, দ্বন্দ্ব, মাদক ও যৌনতা কেন্দ্রিক হয়ে থাকে। আর এতেই দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এসব অনলাইন প্লাটফর্ম।

বর্তমানে ইউটিউবের পাশাপাশি ইমু, টিকটক, লাইকলি, স্ন্যাপ চ্যাটসহ ফেসবুকের মতো ওয়েব সাইটগুলোতে নগ্ন-অর্ধনগ্ন ভিডিও ক্লিপও চলছে নানা মোড়কে। এছাড়াও কন্টেন্ট দেখে অনেকেই প্রক্রিয়া শিখে সহজলভ্য আয়ের লোভে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। দেশে কিশোর গ্যাং কালচারের অন্যতম উদাহরণ বলে মনে করছেন এই বিশ্লেষকরা।

সামাজিক মাধ্যমের অশ্লিল ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অন্যতম স্থান গাজীপুরের বিভিন্ন স্যুটিং স্পট। যেমন তেমন অভিনেতা-অভিনেত্রী বা মানহীন গল্প এবং অশ্লীলতার ওপর ভর করে এখানে বানানো হচ্ছে ভিডিও। যা ইউটিউবে আপলোড দেয়া হচ্ছে ভিউ বাড়ানোর আশায়। তবে, পুলিশ বলছে, একের পর এক অভিযোগ আসায় এবার তারা কঠোর হবেন।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম বলেন, গাজীপুরে এই ধরণের অশ্লিল কার্যক্রম যাতে পরিচালিত না হয় সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। আমরা অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করছি।

বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক ও সাহিত্যিক সালাউদ্দিন শুভ্র বলেন, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ফলে ছেলে-মেয়ে উভয়ই যখন দেখে তার স্তরেই অন্য কেউ তার থেকে নিজেকে বেশি আবেদনময়ী হিসেবে উপস্থাপন করছে, তখনে সে হতাশায় ভোগে। এতে তাদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি হয়। যা তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়তে উৎসাহিত করে। তাই সুযোগ বন্ধ না করেই ভালো কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে টিনেজারদের এই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

20 + 2 =