Templates by BIGtheme NET
২৫ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৯ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

প্রথমবারের মতো কুমির রপ্তানির সুযোগ পেল বাংলাদেশ

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ২৪, ২০২০, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

প্রথমবারের মতো কুমির রপ্তানির সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। তাও আবার একটি দুটি নয়, পুরো চারশ পিছ কুমির আগামী মাসের মধ্যেই রপ্তানি হবে মালয়েশিয়ায়। এ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা।

দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কুমিরের খামারটি হচ্ছে বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা চট্টগ্রামের বান্দরবানে। সেখানকার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম মৌজার প্রায় ২৫ একর পাহাড়ি জমির উপর এর অবস্থান। এ খামারের উৎপাদিত কুমিরগুলোই যাবে মালয়েশিয়ায়।

এ খামার থেকে কুমির রপ্তানি করে বছরে আড়াই শ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা দেখছে সংশ্লিষ্টরা।

রপ্তানির জন্য তৈরি এসব কুমির গড়ে ৫ ফুট লম্বা। প্রতিটি কুমিরের ওজন ২০ থেকে ২৫ কেজি।

প্রাণিবিজ্ঞানীদের মতে, কুমিরের কোনো কিছুই ফেলনা নয়। কুমিরকে বলা হয় গোল্ড আয়রন অর্থাৎ সোনালি লোহা।

এর প্রতি কেজি মাংস ৩০ ডলারে বিক্রি হয় বিদেশে। এর চামড়া বেশ দামি। ১ বর্গ সেন্টিমিটার চামড়ার মূল্য ১২ ডলার। চামড়া দিয়ে ব্যাগ, জুতাসহ অনেক মূল্যবান জিনিস তৈরি করা হয়।

এ ছাড়া কুমিরের মাংস, হাড়, দাঁতও দামি। কুমিরের হাড় থেকে তৈরি হয় পারফিউম, দাঁত থেকে গয়না, পায়ের থাবা থেকে চাবির রিং।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে ৫০টি অস্ট্রেলীয় প্রজাতির কুমির এনে নাইক্ষ্যংছড়ির উন্মুক্ত জলাশয়ে ছাড়া হয়। একেকটির দাম পড়ে ৩ লাখ টাকা।

বর্তমানে এই খামারে বাচ্চাসহ ছোট-বড় কুমিরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪শ’-তে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

eighteen − 15 =