Templates by BIGtheme NET
২৫ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৯ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ : তাসকিনের ফেরা আর রুবেলের বোলিং দেখে মুগ্ধ পাপন

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ২৬, ২০২০, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

প্রতিষ্ঠিত, নামি তারকারা সবাই ভাল পারফর্ম করেননি। তারকাদের সবার পারফরমেন্স আহামরি ছিল না। তারপরও শেষ কথা হলো, করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের ক্রিকেট মাঠে ফিরেছে। ক্রিকেটাররা ব্যাট ও বল হাতে আবার মাঠে।

এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে প্রেসিডেন্টস কাপ শুরুর পরপরই। আজ রোববার রাতে ফাইনাল শেষে সে সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো। সেটাই সান্তনা নাজমুল হাসান পাপনের।

প্রেসিডেন্টস কাপে কোন ক্রিকেটারের সমস্যা হয়নি। সবাই জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে আর মাঠে এসে খেলেও সুস্থ। এটাই বড় সন্তুষ্টি বোর্ড প্রধানের। সেটা যে শুধুই সন্তুষ্টি, তা মানতে নারাজ পাপন।

তার মনে হয়, এই আসর (প্রেসিডেন্টস কাপ) সফল ভাবে শেষ হবার অর্থ, ‘এখন আমরা দেশের মাটিতে সিরিজ আয়োজন আর বিদেশে খেলতে যাবার কথা চিন্তা করতে পারি। ক্রিকেটাররা জেনে গেছে, তাদের বোঝা হয়েছে করোনায় কিভাবে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মাঠে খেলা যায়।’

ঠিক হতাশ বলা যাবে না। আবার আফসোস- অনুশোচনায় ভোগাও বলা যায় না। তবে বিসিবি বিগ পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। তার ভাষায়, ‘সবচেয়ে খুশি হতাম সবাই পারফরম করলে। তবে সেটা হয়ত হয়নি। তারপরও মুশফিকুর রহীম পারফর্ম করেছে। লিটন দাসও ফাইনালে এসে রান পেল।’

তবে নাজমুল হাসান পাপন সবচেয়ে খুশি হয়েছেন তাসকিন আহমেদের পারফরমেন্সে। তার চোখে এ আসর তাসকিনের কামব্যাক টুর্নামেন্ট। রুবেল হোসেনেও মুগ্ধ পাপন। ‘আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে তাসকিনকে দেখে। এ আসর আসলে তাসকিনের আর রুবেলের কামব্যাক সিরিজ। তাসকিন ইনজুরি কাটিয়ে দারুণভাবে ফিরে এসেছে। একই ভাবে রুবেলকে নিয়েও খানিক চিন্তায় ছিলাম, কত দিন খেলবে? কি করবে? কিন্তু না, এ আসরে সেও নিজেকে মেলে ধরেছে।’

এরপর পাপন বলেন, ‘এ ছাড়া তরুণ পেসার সুমন খান, ইবাদত হোসেন, আর ইরফান শুক্কুর তৌহিদ হৃদয়ও বেশ ভাল খেলেছে। আমার কাছে শেখ মেহেদিকে সম্ভাবনাময় অলরাউন্ডার মনে হয়েছে। সামগ্রীকভাবে পেসাররা ভাল বল করেছে। এমনকি তরুন শরিফুলের বোলিংও ছিল চোখে পড়ার মত।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

19 − nineteen =