Templates by BIGtheme NET
২০ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৭ রমজান, ১৪৪২ হিজরি

অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত নিরাপদ ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে সফল রাবির গবেষকরা

প্রকাশের সময়: মার্চ ২৫, ২০২১, ৪:১৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর আমিষের চাহিদা পূরণে দারুণ ভূমিকা রাখা ব্রয়লার মুরগিতে পড়েছে বিষের থাবা। ব্যবহার করা হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। ফলে নানান ধরনের রোগ দাঁনা বাঁধছে শরীরে।

অ্যান্টিবায়োটিক ঝুঁকি এড়াতে নিরাপদ ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে কাজ করে সফল হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।

রাবির গবেষকদের উৎপাদিত অ্যান্টিবায়েটিকমুক্ত ব্রয়লার মাংস বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে গ্রিন ব্রয়লার।

রাবির অর্থায়নে ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের ড. শরিফুল ইসলাম ও ড. হাকিমুল হক দুই শিক্ষকের নেতৃত্বে গত তিন বছর ধরে এক দল গবেষক গবেষণার কাজটি করছেন। প্রথম পর্যায়ে ২৫০টি মুরগির পর সর্বশেষ পাঁচশ ব্রয়লার মুরগির ওপর গবেষণা চালান তারা।

গবেষকরা জানান, ব্রয়লার খামারিদের মতো তারাও ভ্যাকসিন ব্যবহার করেন। তবে রোগ-প্রতিরোধ ও দ্রুত বৃদ্ধির জন্য বাজারের যে অ্যান্টিবায়োটিক তা ব্যবহার করেন না তারা।

অ্যান্টিবায়োটিকের পরিবর্তে উদ্ভিদের নির্যাস ব্যবহার করছেন তারা। কৃমিনাশক ওষুধের পরিবর্তে নিমপাতা ও দ্রুত বৃদ্ধির জন্য গ্রোথ হরমোনের পরিবর্তে সজনার পাতা ব্যবহার করছেন তারা। শীতকালে মুরগির শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে আদা খাওয়ানো হয় বলেও জানান গবেষকরা।

সাধারণ ব্রয়লারের মতো এসব গ্রিন ব্রয়লারও দ্রুতবর্ধনশীল। ২৫-২৭ দিন বয়সী একটি গ্রিন ব্রয়লারের ওজন হয় দেড় থেকে দুই কেজি। স্বাদ ও মানের দিক থেকে সাধারণ ব্রয়লারের চেয়েও ভালো হয় বলে দাবি গবেষকদের।

সারাদেশের খামারিদের অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত মুরগি উৎপাদনের জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগামীর খাদ্য হিসেবে গ্রিন ব্রয়লার আমিষের রোল মডেল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

10 + sixteen =