Templates by BIGtheme NET
১৩ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০ বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৩০ রমজান, ১৪৪২ হিজরি

ভুল ফতোয়া শুনিয়ে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতেন মামুনুল !

প্রকাশের সময়: এপ্রিল ২০, ২০২১, ১২:৩২ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি হেফাজতের ডাকা হরতালে এক মাদ্রাসা ছাত্রের ঘোড়ায় চড়ে হাতে তরবারি নিয়ে রাস্তায় নামার দৃশ্যটি বেশ সাড়া ফেলেছিল। অভিনব এই ছবি দেখে তখন হতবাক হয়েছিল সবাই।

এর রহস্য খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, এর পেছনে রয়েছে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের উস্কানি। যার কথাতেই ছাত্রটি এ কাজটি করেছেন।

পূর্ববঙ্গের এক ওয়াজে আল্লার নবীর হাদিস তালাশ করার দাবি করে মামুনুল হক বলেছিলেন, শেষ যুগে একদল অশ্বারোহী বাহিনী তৈরি হবে। তৈরি হয়ে গেছে। যাদের হাতে সারা দুনিয়াব্যাপী কালিমার পতাকা উড়বে।’

ধর্মের নামে হাদিসের ভুল প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা দিয়ে এভাবেই সমর্থকদের যুদ্ধে নামাতেন মামুনুল। সেদিনের হরতালে একমাত্র মামুনুল হকের কথাতেই রাজপথে নেমেছিল সবাই। তার কথাতেই শহীদ হয়েছিল হেফাজতের ১৭ নিরপরাধ কর্মী।

ছদ্মবেশী মামুনুলের ওয়াজের ভিডিওক্লিপ দেখে, বিশ্লেষণ করে ভয়ঙ্কর মানুষ খুনের উস্কানির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হরতালে অনুসারীদের তথাকথিত যুদ্ধে নামার আহ্বান জানিয়ে এক মাহফিলে মামুনুল হক বলেন, বাবুনগরীকে সমর্থন করবার জন্য সহযোগিতা করবার জন্য বুকের রক্ত দিতে হলে, ঘাম ঝরাতে হলে, অশ্রু ঝরাতে হলে, জীবন দিতে হলে, কারা কারা প্রস্তুত আছেন? হাত তুলেন।’

এরপর সেখানে দেখা গেছে, মামুনুল হকের ডাকে সাড়া দিয়ে অনুসারীরা স্লোগান তুলেন, ‘ইসলামের শত্রুরা হুঁশিয়ার সাবধান।’

সাধারণত ওয়াজ মাহফিল বা ধর্মসভার পরিবেশ সাধারণত শান্ত ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ হয়। মামুনুল হকের বেলায় এর ঠিক উল্টো।

তিনি ওয়াজ মাহফিলকে মুহূর্তেই যুদ্ধের ময়দান বানিয়ে ফেলেন। তার আলোচনায় জীবনবোধ, বেঁচে থাকার অনুভূতি অতি গৌণ। বরং ‘মৃত্যুর পয়গাম’ দিতে বেশি উৎসাহ বোধ করেন। ধর্মের নামে মানুষ মারতে ও মরতে উদ্বুদ্ধ করেন জোরেশোরে।

কখনও নবীর দোহাই দিয়ে, কখনও আল্লাহর দোহাই দিয়ে বান্দাকে খুন হতে প্ররোচনা দেন।

এ ধরনের প্রতারক দেশ ও জাতির জন্য ভয়ঙ্কর বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

seventeen − nine =