Templates by BIGtheme NET
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২২ সফর, ১৪৪৩ হিজরি

ব্লু ইকোনমিতে ২৬টি সম্ভাবনার ক্ষেত্র বাংলাদেশের !

প্রকাশের সময়: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ

সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু-ইকোনমি হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি। সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।

তবে আশার কথা হচ্ছে, ব্লু-ইকোনমিতে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। কেননা ইতোমধ্যেই সমুদ্র নির্ভর ২৬টি সম্ভাবনার ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া গেছে। আর সঠিকভাবে এই ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগাতে পারলে সহজেই বছরে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বিশাল সাগরসীমায় কী আছে এবং সেই সম্পদ কাজে লাগিয়ে কীভাবে অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করা যায়, তা গবেষণা করতে ২০১৭ সালে কক্সবাজারে নির্মিত হয় সমুদ্র গবেষণাকেন্দ্র বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট। সম্প্রতি তারাই খুঁজে পেয়েছে এই ২৬ সম্ভাবনার ক্ষেত্র।

এরমধ্যে রয়েছে- বঙ্গোপসাগরের অভ্যন্তরে ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৭১০ কিলোমিটার সুদীর্ঘ উপকূলরেখার সন্ধান।

দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের শতকরা ১৯.৪ ভাগই আসে সামুদ্রিক মৎস্য থেকে, চাইলেই এটিকে বাড়িয়ে আরও দ্বিগুণেরও বেশি করা যায়।

গবেষণা কালে সমুদ্রের অভ্যন্তরে গ্যাস মজুদ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া তেল, লবণ ও নবায়নযোগ্য সামুদ্রিক সম্পদ (বালু, নুড়ি ইত্যাদি), নৌ-যোগাযোগ মিলেয়ে ২৬টি ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা দেখছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল হক বলেন, আমেরিকা যেখানে বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার আয় করে, শুধু সমুদ্রের তলদেশের সৌন্দর্য দেখিয়ে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের লোক সেখানে ভ্রমণ করতে যায় এবং বিভিন্ন ধরনের সৌন্দর্য উপভোগ করে। বাংলাদেশেও এ ধরনের সুযোগ রয়েছে।

যদি সঠিকভাবে সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ, গ্যাসসম্পদ, খনিজসম্পদ এবং স্কুবা ট্যুরিজম কাজে লাগানো যায়, তাহলে বাংলাদেশের প্রতি অর্থবছরে যে বাজেট হয়, তা সমুদ্র অর্থনীতি দিয়েই তার জোগান দেওয়া সম্ভব বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

19 − 9 =