Templates by BIGtheme NET
২১ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ পৌষ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৬ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

বিজয়ের ৫০ বছর : প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি কেমন?

প্রকাশের সময়: ডিসেম্বর ২১, ২০২১, ৮:০৫ অপরাহ্ণ

১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই দেশে প্রথম আর্থ-সামাজিক জরিপ ও আবহাওয়ার তথ্য আদান-প্রদানে আর্থ-রিসোর্স টেকনোলজি স্যাটেলাইট প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হয়।

পরবর্তীতে তাঁর কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক অগ্রগতি দেখিয়েছে বাংলাদেশ। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, দক্ষতা, উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ সব খাতে লেগেছে তথ্য-প্রযুক্তি ছোঁয়া।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আইসিটি খাতে দেশের সবচেয়ে বড় অর্জনের একটি বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরণ। এর মাধ্যমে নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে।

একসময় ১ এমবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের খরচ ছিল ৭৮ হাজার টাকা। বর্তমানে তা ৩০০ টাকাতেও মিলছে। মুঠোফোনের কলরেট একসময় ৩০ টাকা করে ছিল প্রতি মিনিট। আজ তা ৬০ পয়সা।

২০১০ সালের দেশের ৪ হাজার ৫০১টি ইউনিয়নে একযোগে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র চালু করে সরকার। সেখান থেকে ৩ শতাধিক সরকারি-বেসরকারি সেবা পাচ্ছে দেশবাসী।

বর্তমানে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, গার্মেন্টসকর্মী ও প্রবাসী নাগরিকদের জন্য আলাদা ডিজিটাল সেন্টার চালু হয়েছে। ই-নথিতে ১ কোটি ৬৭ লাখ ফাইলের নিষ্পত্তি হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৪৭ লাখ ৭১ হাজারের অধিক ই-মিউটেশন সম্পন্ন হয়েছে অনলাইনে।

বর্তমানে দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে। ৫২ হাজারেরও বেশি ওয়েবসাইটের জাতীয় তথ্য বাতায়নে যুক্ত রয়েছে ৯৫ লাখেরও অধিক বিষয়ভিত্তিক কনটেন্ট এবং ৬৮৫টির বেশি ই-সেবা সহজে অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে।

৮ হাজার ২৮০টি ডিজিটাল সেন্টার থেকে ৬ কোটির অধিক এবং জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে ৭ কোটির বেশি মানুষ সেবা পাচ্ছে। ২০২৫ সাল নাগাদ শতভাগ সেবা অনলাইনে পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের সাফল্যও বেশ ঈর্ষণীয়। আইসিটি রফতানি ২০১৮ সালেই ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে আইসিটি খাতে রফতানি ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nine − 2 =