Templates by BIGtheme NET
১০ জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৬ পৌষ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৬ জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

গণতন্ত্র ও মানবধিকার রক্ষাকারীদের দেশে তারা কিভাবে?

প্রকাশের সময়: জানুয়ারি ১০, ২০২২, ৪:৩১ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র সম্মেলন মানবধিকার ও দুর্নীতির কারণে কয়েকটি দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। বাইডেন প্রশাসনের এমন আচমকা সিদ্ধান্তে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বুলি আওড়ানো দেশটিতেই এখন গণতন্ত্র ও মানবধিকার হুমকির মুখে।

২০২০ সালে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন বিজয়ী হলেও তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়তে না চাওয়ায় পরবর্তীতে তার সমর্থকরা ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায়। ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার পরই প্রশ্ন ওঠে বিশ্বের বড় গণতান্ত্রিক দেশ আমেরিকা কি গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে?

এছাড়া অনেক মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী, দুর্নীতিবাজ নিজ দেশের বিচার এড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবস্থান করছে। অথচ তাদের ব্যাপারে মার্কিন প্রশাসন নীরবতা অবলম্বন করছে।

বাংলাদেশের আত্মস্বীকৃত খুনি রাশেদ চৌধুরী, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ ও ব্রিগেডিয়ার বারী, দুর্নীতিবাজ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ আরও অনেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনায়সে বিলাসী জীবনযাপন করছেন।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিকার অর্থে মানবাধিকার সুরক্ষা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে তাহলে এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতো। যেহেতু মার্কিন প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না এতেই স্পষ্ট দেশটি মানবাধিকার রক্ষার নামে মিথ্যে বুলি আওড়াচ্ছে এবং মানবাধিকার ইসুটিকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nineteen − 16 =